সারদার ‘সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড’ দেবযানী এখন জেলের দিদিমণি
অনুপ্রবেশের অভিযোগে বছর কয়েক আগে ওঁরা গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁরা নিজেদের প্রয়োজন বোঝান ভাঙা বাংলায়। মায়ানমারের ওই মহিলাদের বর্তমান ঠিকানা দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার। এ বার তাঁদের পড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। কী শিখছেন মায়ানমারের ওই মহিলা আবাসিকেরা? কারাই বা শেখাচ্ছেন? সূত্রের খবর, ওঁদের ইংরেজি এবং অঙ্কে সড়গড় করতে নিয়মিত ক্লাস করাচ্ছেন সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। সকাল সাড়ে দশটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত চলে ইংরেজি আর অঙ্কের পাঠ। তবে ইংরেজি শিক্ষায় বেশি জোর দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। অক্ষরজ্ঞান, বাক্য গঠনের পাশাপাশি যাতে ন্যূনতম কথাও তাঁরা বলতে পারেন, সেই প্রয়াসও শুরু হয়েছে। জনা তিরিশেক মায়ানমারের মহিলা আবাসিক মাস দেড়েক ধরে এই লেখাপড়ার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ওঁদের শিক্ষক হিসাবে রয়েছেন সংশোধনাগারের কয়েক জন কর্মী। সঙ্গে রয়েছেন চার মহিলা আবাসিক। সেই তালিকায় রয়েছেন সারদা-কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া সংস্থার 'সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড' দেবযানী মুখোপাধ্যায়ও। কম বয়সে সংসারের আবর্তে জড়িয়ে পড়াশোনায় ইতি টেনেছিলেন মায়ানমারের ওই আবাসিকদের বেশিরভাগ। সে কারণে মাতৃভাষা ছাড়া সে ভাবে কিছু জানা নেই তাঁদে...